সাজ্জাদ হোসেন, মিরপুর :
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় কথিত গুপ্তধন আত্মসাৎ ও জিনের পাহারা সংক্রান্ত একটি ঘটনাকে ঘিরে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের বড়গাংদিয়া গ্রামের সেন্টার মোড় এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি গুজব প্রচলিত রয়েছে যে, কাসেম মাস্টার নামে এক ব্যক্তির জমির বাগানে একটি মধ্যে গুপ্তধন রাখা ছিল, যা নাকি একটি জ্বীন পাহারা দিত। স্থানীয়দের এক তরুণীর দাবি, গত ১৬ ডিসেম্বর অমাবস্যার রাতে এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি কথিত সেই গুপ্তধন উত্তোলন করেন। এরপর থেকেই অস্বাভাবিক ঘটনা শুরু হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
গুপ্তধন উত্তোলনের ঘটনার দিন রাত থেকেই মিরাজুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির ২৩ বছর বয়সী মেয়ে মিতা অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন। পরিবারের দাবি, ওই তরুণীর ওপর একটি জ্বীন ভর করেছে এবং তার মাধ্যমে কথিত জ্বীন বলছে
“আমি ওই কাঁচা অর্থের পাহারা দিতাম, টাকা তুলে নেওয়ার প্রতিশোধ নিতেই আমি ভর করেছি।”
মিতার মা জানান, ঘটনার দিন থেকেই তার মেয়ের আচরণ স্বাভাবিক নেই। মাঝে মাঝেই সে অচেতন হয়ে পড়ছে এবং অস্বাভাবিক কথা বলছে। এতে পরিবার ও এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির নাম আলোচনায় এসেছে, জিল্লুর রহমানের স্ত্রী, হোসনেয়ারা , মোয়াজ্জেমের ছেলে শাহজাহান–এর নাম নিয়ে নানা আলোচনা ও সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে তাদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি নিয়ে পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ও কৌতূহল বিরাজ করছে। কেউ এটিকে অলৌকিক ঘটনা হিসেবে দেখছেন, যা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।।।